প্রবিধান

প্রবিধান

 

[চতুর্থ সংশোধনীসহ]
(মোট ২০পৃষ্ঠা)

চিত্তের প্রসারতা মস্তিষ্কের মুক্তি
উজানের প্রকাশনা

 

সার্বক্ষণিক যোগাযোগ
১৩০ শহীদুল্লাহ্ কলাভবন
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ॥ রাজশাহী-৬২০৫
বাংলাদেশ

BANGLADESH
E-mail: shiqbal70@gmail.com
chinnoprokashon@gmail.com
Phone: +88-0721-750499, 01715-319362
Website: www.chinnofoundation.org

প্রথম প্রকাশ
ফেব্রুয়ারি, ২০০৯

কার্যকর
০১ মার্চ, ২০০৯ থেকে

প্রথম অনুচ্ছেদ

সংগঠনের নাম

ধারা-০১

(ক) এই সংগঠনের নাম চিহ্ন

(খ) এই সংগঠনের স্লোগান চিত্তের প্রসারতা মস্তিষ্কের মুক্তি (সময়ের সাথে পরিবর্তনশীল)

সংগঠনের প্রকৃতি

ধারা-০২

এই সংগঠনের প্রকৃতি হলো সাহিত্য-সংস্কৃতির চর্চা, লালন এবং সৃজনশীল ও

মননশীল সাহিত্য প্রকাশনাকর্ম সম্পাদন

লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য

ধারা-০৩

এই সংগঠনের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য নিম্নরূপ

লক্ষ্য

১. সৃজনশীল লেখক-ব্যক্তিত্ব সৃষ্টি করা

২. গতানুগতিকতার বাইরে একটি প্রামাণিক (অথেনটিক) প্রকাশনা

৩. প্রান্তমুখো মেধাসম্পন্ন লেখক অন্বেষণ

উদ্দেশ্য

১. প্রগতির পথে মুক্তবুদ্ধির চর্চা

২. সাহিত্যের পঠন-পাঠন

৩. স্পষ্টভাষি ও পরিচ্ছন্ন মননের চর্চা

৪. ইতিহাস, ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির লালন

৫. শিল্প সাহিত্যের সকল শাখার ক্রমোত্তরণের পর্যায় অন্বেষণ

৬. প্রকাশনায় নতুন চিন্তার সৃজন ও বিকাশ

কর্মসূচি

ধারা-০৪

এই সংগঠন নিম্নোক্ত কর্মসূচি বাস্তবায়নের জন্য বদ্ধপরিকর

০১.         সদস্যদের মাঝে জ্ঞান অর্জন ও বাস্তব জীবনে অর্জিত জ্ঞানের পূর্ণ অনুশীলনের দায়িত্বানুভূতি জাগ্রত করা।

০২.        যারা সৃজনশীল লেখক হতে চায় তাদের পর্যাপ্ত পঠন-পাঠনে অভ্যস্ত করে সাধ্যমত সর্বাত্মক সহযোগিতা প্রদান করা

০৩.        সদস্যদের প্রগতিশীল করে গড়ে তোলা

০৪.        সাপ্তাহিক আড্ডা

০৫.        সাহিত্যপত্রিকা চিহ্ন প্রকাশ

০৬.       চিহ্নপরিপূরক ভিন্ন মুখপত্র প্রকাশ (স্নান)

০৭.        সেমিনার আয়োজন

০৮.        মেলার আয়োজন

০৯.        সদস্যদের জন্য বিনোদনমূলক ব্যবস্থার আওতায় ঐতিহাসিক ও দর্শনীয় স্থান ভ্রমণ

১০.         মানসম্পন্ন গ্রন্থ প্রকাশ করে বাংলা সাহিত্যের ভা-ার সমৃদ্ধ করা

১১.          চিহ্ন পাঠাগার তৈরি করা

১২.         চিহ্ন সম্মাননা প্রদান

১৩. চিহ্নস্কুলে নতুন লেখক ভর্তি

১৪. চিহ্নবৃত্তি প্রদান

দ্বিতীয় অনুচ্ছেদ

সদস্যপদ

ধারা-০৫

(ক)

সাপ্তাহিক সাহিত্য পাঠচক্রে অংশগ্রহণকারী কোন শিক্ষার্থী ন্যূনতম পনেরটি (১৫) পাঠচক্রে নিয়মিত অংশগ্রহণ করার পর কার্যনির্বাহী পরিষদ কর্তৃক নির্ধারিত আবেদনপত্র পূরণ করে চিহ্নপ্রধানের কাছে জমা দেবেন। এক্ষেত্রে আবেদনপত্রে একজন সদস্যের সুপারিশ লাগবে। তারপর চিহ্নপ্রধান অথবা দায়িত্বপ্রাপ্ত কেউ তাকে সদস্যপদ দান করবেন। কিন্তু এই প্রক্রিয়া কার্যনির্বাহী পরিষদের অবগতির মাধ্যমে করতে হবে।

(খ)

একজন শিক্ষার্থী যদি এই সংগঠনের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্যকে তার জীবনের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য হিসেবে গ্রহণ করেন অথবা তার জীবনের জন্য এই লক্ষ্য ও উদ্দেশ্যকে কল্যাণকর মনে করেন অথবা এই লক্ষ্য ও উদ্দেশ্যকে যদি শিক্ষা-সভ্যতা-সাহিত্য-সংস্কৃতির অনুগামী মনে করেন অথবা এই সংগঠনকে সাহিত্য ও সংস্কৃতির ধারক ও বাহক মনে করেন, অথবা তার জীবনের জন্য এই লক্ষ্য ও উদ্দেশ্যকে প্রতিবন্ধক মনে না করে তার ব্যক্তিত্ব বিকাশে সহায়ক মনে করেন অথবা এর দ্বারা তিনি সামান্যতমও ক্ষতির আশংকা করেন না বরং মেধার উৎকর্ষ লাভের প্রত্যাশা করেন, এই সংগঠনের কর্মসূচির সাথে একমত পোষণ করেন ও তা        বাস্তবায়নের জন্য সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেন, তৎসঙ্গে অন্যদেরও উৎসাহিত করেন, এই সংগঠনের প্রবিধান সম্পূর্ণরূপে মেনে চলেন, তার দায়িত্বের মধ্যে অন্তর্ভুক্ত কাজগুলো যথাযথভাবে পালন করেন, এই সংগঠনের সাংগঠনিক নৈতিকতা বহির্ভূত কাজ থেকে দূরে থাকেন, এই সংগঠনের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য, কর্মসূচি ও প্রবিধানের বিপরীত কোন কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত না থাকেন এবং অপ্রাতিষ্ঠানিক ও নির্মোহ চিন্তাচেতনা থেকে তার ব্যক্তিমানসের দায়বদ্ধতা হেতু এই সংগঠনের সদস্যপদ লাভ করতে আগ্রহী হন তাহলে তিনি এই সংগঠনের সদস্য হওয়ার যোগ্য বলে বিবেচিত হবেন। এক্ষেত্রে অবশ্যই তাকে এই প্রবিধানের সদস্যপদ ধারা মোতাবেক সদস্য হতে হবে।

(গ)

সদস্যপদ লাভে ইচ্ছুক কেউ চিহ্নদপ্তর থেকে নির্ধারিত ফরম সংগ্রহ করে তা যথাযথভাবে স্বহস্তে পূরণ করে কার্যনির্বাহী পরিষদ কর্তৃক অনুমোদিত পন্থায় একজন সদস্যের সুপারিশসহ চিহ্নপ্রধানের নিকট জমা করবেন। তারপর চিহ্নপ্রধান তা মঞ্জুর করবেন এবং আনুষ্ঠানিকভাবে তাকে সদস্যপদ দান করবেন। কিন্তু সেই বিষয়ে সকলকে অবহিত করতে হবে। মঞ্জুর না করলে তার কারণ কার্যনির্বাহী পরিষদের নিকট ব্যাখ্যা করতে হবে। সুপারিশকারী অবশ্যই কার্যনির্বাহী পরিষদের সদস্য হতে হবে।

(ঘ)

সকল সাধারণ সদস্য অন্য যেকোন প্রগতিশীল সংগঠনের সাথে সম্পৃক্ত থাকতে পারবে। তবে অন্য কোন সাহিত্য সংগঠনের সদস্য হতে পারবে না। সদস্য হতে হলে তাকে চিহ্নর সদস্যপদ বাতিল করতে হবে।

(ঙ)

চিহ্নর সদস্য হবে দুই রকমের। নতুন ও পুরাতন সদস্য। নতুন সদস্য বলতে ছাত্রাবস্থায় যিনি চিহ্নসদস্য, পুরাতন সদস্য ছাত্রজীবন শেষ করেছেন এবং নানাভাবে এ সংগঠনের সঙ্গে কর্মসংশ্লিষ্টতা বজায় রেখেছেন। পুরাতন সদস্য নিশ্চয় নতুন সদস্যদের দৃষ্টান্তস্বরূপ।

সদস্যপদ বাতিল

ধারা-০৬

(ক)

কোন সদস্য যদি পাঁচ (০৫) ধারার বিষয়সমূহ আংশিক বা সম্পূর্ণ লঙ্ঘন করেন অথবা সদস্য হওয়াকালীন প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ করেন তাকে এ ব্যাপারে সতর্ক করা হলেও যদি তিনি নিজেকে সংশোধন না করেন তাহলে কার্যনির্বাহী পরিষদের নির্ধারিত পন্থায় তার সদস্যপদ বাতিল করা হবে।

(খ)

যদি কোন সদস্য তার সদস্যপদ বাতিল করতে চান তাহলে তাকে চিহ্নপ্রধানের নিকট পদত্যাগপত্র জমা দিতে হবে এবং আলাদা কাগজে তার পদত্যাগের কারণ সম্পর্কে চিহ্নপ্রধানকে পদত্যাগের কারণ সম্পর্কে অবহিত করতে হবে। চিহ্নপ্রধান তার পদত্যাগপত্র পাওয়ার সাথে সাথেই তার সদস্যপদ স্থগিত হবে এবং চিহ্নপ্রধানের অনুমোদনের সাথে সাথেই তা কার্যকর হবে। তবে এই ব্যাপারে চিহ্নপ্রধান অবশ্যই কার্যনির্বাহী পরিষদকে অবহিত করবেন। যে সদস্যের সুপারিশক্রমে উক্ত পদত্যাগকারী সদস্যপদ পেয়েছিলেন তিনিও কার্যনির্বাহী পরিষদে কৈফিয়ত দিতে বাধ্য থাকবেন।

(গ)

পদত্যাগপত্র জমা দেওয়ার পূর্বে কোন সদস্য দরকার মনে করলে যে কারণে তিনি পদত্যাগ করতে চান তা চিহ্নপ্রধানকে জানাবেন। চিহ্নপ্রধান নিজে অথবা কার্যনির্বাহী পরিষদের সঙ্গে পরামর্শক্রমে তার সমস্যা সমাধানের চেষ্টা করবেন। চিহ্নপ্রধান তার সমস্যা সমাধান করতে পারলে সেই সদস্য অবশ্যই পদত্যাগ করবেন না।

(ঘ)

বহিষ্কার হওয়া কোন সদস্য আর কখনো সংগঠনে আসতে পারবে না।

তৃতীয় অনুচ্ছেদ

চিহ্নপ্রধান

ধারা-০৭

চিহ্নপ্রধানকে নিম্নোক্ত যোগ্যতার অধিকারী হতে হবে

ক.          চিহ্নপ্রধানের ন্যূনতম বয়স হবে ৩৫ (পঁয়ত্রিশ) বছর

খ.           তাকে বাংলাদেশে বসবাসকারী স্থায়ী নাগরিক হতে হবে

গ.           যার উপর আস্থা রাখা যায় এমন ব্যক্তিত্বসম্পন্ন হবে

ঘ.           তার উপর কোন প্রমাণিত অর্থ কেলেঙ্কারি বা চিহ্নপ্রবিধান বহির্ভূত অভিযোগ থাকা

    যাবে না

ঙ.           শিক্ষাগত যোগ্যতা ন্যূনতম স্নাতকোত্তর হতে হবে

ধারা-০৮

এই সংগঠনের প্রধান হিসেবে ‘চিহ্নপ্রধান’ এর দায়িত্ব নেবেন একজন। তিনি এই সংগঠনের আওতাধীন সকল ক্ষেত্রে পদাধিকার বলে সকল পরিবারের প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন। তিনি যেকোন সিদ্ধান্তের ক্ষেত্রে স্বাধীন। তিনি ইচ্ছা করলে কারো পরামর্শ নিতে পারেন, নাও পারেন। তিনি যেকোন পরিষদ ভেঙে দিয়ে নতুন পরিষদ গঠন করতে পারবেন।

ধারা-০৯

সংগঠনের সামগ্রিক সিদ্ধান্তের ক্ষেত্রে চিহ্নপ্রধান নৈতিকতার দিক দিয়ে দায়বদ্ধ থাকবেন।

ধারা-১০

সকল নিয়মের রদবদল, সংশোধন, রহিতকরণ, স্থগিতকরণ, বাতিলকরণ সহ যেকোন জরুরী সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষমতা চিহ্নপ্রধান সংরক্ষণ করেন। এক্ষেত্রে তিনি সেই মুহূর্তে কারো কাছে কৈফিয়ত দিতে বাধ্য থাকবেন না। তবে তা অবশ্যই সাময়িক সংকট নিরসনের জন্য প্রযোজ্য হবে। তারপর সংকট উত্তীর্ণ হলে আগের আইন বহাল থাকবে। অথবা পরিবর্তন (স্থায়ীভাবে) করতে হলে প্রবিধান সংশোধনের নিয়ম অনুযায়ী অর্থাৎ নবম অধ্যায়ের ধারাসমূহের আলোকে করা হবে।

ধারা-১১

এই প্রবিধানের বিভিন্ন ধারায় চিহ্নপ্রধানকে যে ক্ষমতা দেওয়া হল তা সংগঠনের স্বার্থেই। চিহ্নপ্রধান নিজে অথবা তার সদস্যের মাধ্যমে সেগুলো প্রয়োগ করতে পারবেন।

ধারা-১২

চিহ্নপ্রধান প্রয়োজন মনে করলে তার কাজ সহজ করে নেওয়ার জন্য তিনজনকে তার বিশেষ সহকারী হিসেবে নিতে পারবেন।

ধারা-১৩

চিহ্নপ্রধান কার্যনির্বাহী পরিষদ মতামত গ্রহণপূর্বক সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবেন। তবে কার্যনির্বাহী পরিষদের সিদ্ধান্ত নেই অথবা প্রবিধান বহির্ভূত যেকোন বিষয়ে জরুরি ও সাময়িক সিদ্ধান্তের ক্ষেত্রে তিনি কোন নিয়মের অধীন থাকবেন না। সে সময় চিহ্নপ্রধানের নির্দেশই আইন বলে গণ্য হবে।

ধারা-১৪

চিহ্নপ্রধানের সাময়িক অনুপস্থিতির জন্য চিহ্নপ্রধান মনোনীত কেউ চিহ্নপ্রধান (ভারপ্রাপ্ত) পদ গ্রহণ করবেন। কিন্তু চিহ্নপ্রধানের পদ স্থায়ীভাবে শূন্য হলে কার্যনির্বাহী পরিষদের নির্ধারিত বৈঠকে একজনকে চিহ্নপ্রধানের দায়িত্ব দেওয়া হবে। প্রতি তিন (০৩) বছর পরপর কার্যনির্বাহী পরিষদের নির্ধারিত বৈঠকে চিহ্নপ্রধান পরিবর্তন হবেন। কার্যনির্বাহী পরিষদের অধিকাংশ সদস্যের সুপারিশ পেলে একই ব্যক্তি পরপর দায়িত্ব পালন করতে পারবেন। কিন্তু অধিকাংশ সদস্য অনাস্থা জ্ঞাপন করলে নতুন কেউ চিহ্নপ্রধানের দায়িত্ব নেবেন। চিহ্নপ্রধানের পদ স্থায়ীভাবে শূন্য হলে সাথে সাথেই কার্যনির্বাহী পরিষদের সদস্য পূর্বোক্ত নীতি অনুযায়ী চিহ্নপ্রধান (ভারপ্রাপ্ত) পদ গ্রহণ করবেন। কিন্তু পরবর্র্তী কার্যনির্বাহী পরিষদের বৈঠকে চিহ্নপ্রধান নির্বাচিত করা হবে।

ধারা-১৫

সাংগঠনিক সমস্যার কারণে কোন সদস্য যদি পদত্যাগ করতে চান তাহলে চিহ্নপ্রধান সেই কারণ সনাক্ত করা ও সমাধানের চেষ্টা করবেন।

ধারা-১৬

চিহ্নপ্রধানের দায়িত্ব হল এই প্রবিধানের মূল উদ্দেশ্য পূরণ, পরিচালনা, কর্মসূচির বাস্তবায়ন, সর্বোৎকৃষ্ট সাংগঠনিক শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠা ও সংরক্ষণ। এক্ষেত্রে তিনি কার্যনির্বাহী পরিষদের সদস্যদের যেকোন পরামর্শ নিতে পারেন।

ধারা-১৭

চিহ্নপ্রধান প্রত্যেক ক্ষেত্রে অর্থনৈতিক স্বচ্ছতা নিশ্চিত করবেন ও তার কাজের জন্য কার্যনির্বাহী পরিষদের কাছে জবাবদিহিতায় বাধ্য থাকবেন।

ধারা-১৮

চিহ্নপ্রধান দরকার মনে করলে বিশেষ বিবেচনায় কাউকে সদস্যপদ দান বা কোন নতুন সদস্যকে কার্যনির্বাহী পরিষদের সদস্যসহ অন্যান্য যেকোন গুরুত্বপূর্ণ পদ দান করতে পারেন।

চতুর্থ অনুচ্ছেদ

কার্যনির্বাহী পরিষদ

ধারা-১৯

নিম্নোক্ত পদগুলো পূরণ সাপেক্ষে কার্যনির্বাহী পরিষদ গঠন করা হবে

চিহ্নপ্রধান

চিহ্ননির্বাহী

১. পুরাতন সদস্য

২. পুরাতন সদস্য

৩. পুরাতন সদস্য

৪. নতুন সদস্য

৫. নতুন সদস্য

৬. নতুন সদস্য

৭. নতুন সদস্য

৮. নতুন সদস্য

৯. নতুন সদস্য

ধারা-২০

কার্যনির্বাহী পরিষদ এই সংগঠনের সর্বোচ্চ ক্ষমতাধর পরিষদ। অন্যান্য পরিষদের উপর এটি প্রাধান্য বিস্তার করবে। অন্যান্য পরিষদের সিদ্ধান্ত কার্যনির্বাহী পরিষদের সুপারিশক্রমে চিহ্নপ্রধান পাশ করবেন। তবে জরুরি কোন সিদ্ধান্ত চিহ্নপ্রধান অনুমোদন দিতে পারবেন। কিন্তু তা পরে কার্যনির্বাহী পরিষদের বৈঠকে অনুমোদন করে নিতে হবে। এমনকি অন্যান্য পরিষদের বৈধতারও অনুমোদন নিতে হবে কার্যনির্বাহী পরিষদের কাছ থেকে।

ধারা-২১

কার্যনির্বাহী পরিষদের তিন (০৩), চার (০৪), পাঁচ (০৫), ০৬ (ছয়) নম্বর সদস্য নির্ধারণ করবেন চিহ্নপ্রধান নিজে আর পরবর্তী সাত (০৭), আট (০৮), নয় (০৯) নম্বর সদস্য নির্বাচিত হবেন সদস্যদের প্রত্যক্ষ ভোটে। ভোটের তারিখ আগে থেকে ঘোষণা করা হবে না এবং কেউ কোন সদস্যের কাছে ভোট চাইতে পারবেন না। ভোট চাইলে তার প্রার্থিতা বাতিল হবে। এখানে সবাই ভোটার সবাই প্রার্থী প্রক্রিয়ায় ভোট হবে। ভোট হবে চিহ্নপ্রধানের তত্ত্বাবধানে। অথবা, সকল সদস্যের উপস্থিতিতে নিয়মিত কর্মতৎপরতার ভিত্তিতে সদস্য পদের জন্য নাম প্রস্তাব করা হবে এবং সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্যের সমর্থনে কার্যনির্বাহী পরিষদের সদস্য নির্বাচিত হবে।

ধারা-২২

কার্যনির্বাহী পরিষদের সদস্যরা চিহ্নপ্রধানের পরিচালনা ও ব্যবস্থাপনায় চলবেন।

ধারা-২৩

চিহ্ননির্বাহী মনোনীত করবেন চিহ্নপ্রধান নিজে। তার মেয়াদকাল চিহ্নপ্রধানের ইচ্ছার উপর নির্ভর করবে। যদি একই ব্যক্তিকে চিহ্নপ্রধান নির্বাহী পদে উপযুক্ত মনে করেন সেক্ষেত্রে   দুই বছর পরপর কার্যনির্বাহী পরিষদের অনুমোদন লাগবে। চিহ্ননির্বাহী প্রতিটি ক্ষেত্রে চিহ্নপ্রধানের সম্পূরক ভূমিকা পালন করবেন। পুরো চিহ্নপরিবারের তদারকি করবেন। প্রতিটি পরিষদের সমন্বয়কের দায়িত্ব পালন করবেন। তবে অবশ্যই চিহ্নপ্রধানের সঙ্গে পরামর্শক্রমে।

ধারা-২৪

সামগ্রিকভাবে কার্যনির্বাহী পরিষদের সদস্যদের দায়িত্ব হল নিজের ক্যারিয়ার গঠন, তত্ত্বাবধান, সংগঠনের তত্ত্বাবধান, প্রগতিশীল নীতির অনুসৃতির তত্ত্বাবধান, সংগঠনের কর্মসূচি বাস্তবায়ন, সংবিধানিক অনুসৃতির তত্ত্বাবধান, সংগঠনের যেকোন ত্রুটি দূর করা, সংগঠনের সামগ্রিক কাজের মৌলিক পরিকল্পনা প্রণয়ন। সম্পাদককে পরামর্শ দান, স্বাধীনভাবে মতপ্রকাশ। কার্যনির্বাহী পরিষদের নিয়মিত বৈঠকে যোগদান ও মতামত দান।

ধারা-২৫

কার্যনির্বাহী পরিষদের কোন সদস্য অন্য কোনো সংগঠনের সাথে সম্পৃক্ত থাকতে পারবেন না। থাকলে কার্যনির্বাহী পরিষদে সদস্য পদের অযোগ্য বিবেচিত হবেন এবং তার পদ স্থগিত হয়ে যাবে।

ধারা-২৬

বছরে কার্যনির্বাহী পরিষদের দুটি (০২) সাধারণ বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। চিহ্নপ্রধান প্রয়োজন মনে করলে ও কার্যনির্বাহী পরিষদের অধিকাংশ সদস্য আবেদন করলে কার্যনির্বাহী পরিষদের বিশেষ বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। সভার তারিখ নির্ধারণ, পরিবর্তন ও বাতিলের সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা চিহ্নপ্রধান সংরক্ষণ করেন।

ধারা-২৭

চিহ্নপ্রধান যেকোন জরুরি মুহূর্তে কার্যনির্বাহী পরিষদ ভেঙে দিতে পারেন। তবে পরবর্তী কার্যনির্বাহী পরিষদের নিকট তার কারণ দর্শিয়ে অনুমোদন নিতে হবে।

ধারা-২৮

পরপর দুই (০২) বার কার্যনির্বাহী পরিষদের বৈঠকে উপস্থিত না হলে অথবা সাংগঠনিক প্রয়োজনে চিহ্নপ্রধান যেকোন সদস্যকে সাধারণ পরিষদে ফেরত পাঠাতে পারেন। উপস্থিতির ক্ষেত্রে অসুস্থতা ও অন্যান্য ব্যক্তিগত সমস্যা চিহ্নপ্রধান বিবেচনা করবেন।

ধারা-২৯

কার্যনির্বাহী পরিষদে কোন পদ শূন্য হলে ছয় (০৬) মাসের মধ্যে তা পূরণ করতে হবে। চিহ্নপ্রধান ইচ্ছা করলে যেকোন সময় এই পদ পূরণ করতে পারেন।

ধারা-৩০

এই প্রবিধানের যেকোন ধারার ব্যাখ্যার ব্যাপারে কার্যনির্বাহী পরিষদের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত বলে গণ্য হবে।

ধারা-৩১

কার্যনির্বাহী পরিষদের সাধারণ মেয়াদকাল দুই (০২) বছর তবে কার্যনির্বাহী পরিষদে বিশৃঙ্খল পরিস্থিতির সৃষ্টি হলে চিহ্নপ্রধান তা এক (০১) বছরেও নিয়ে আসতে পারেন।

পঞ্চম অনুচ্ছেদ

সাধারণ পরিষদ

ধারা-৩২

নিম্নোক্ত পদগুলো পূরণ সাপেক্ষে সাধারণ পরিষদ গঠন করা হবে

১. চিহ্নপ্রধান

২. চিহ্ননির্বাহী

৩. সকল সাধারণ সদস্য

ধারা-৩৩

সাধারণ পরিষদ কার্যনির্বাহী পরিষদের তত্ত্বাবধানে পরিচালিত হবে।

ধারা-৩৪

                সাধারণ পরিষদ চিহ্নপ্রধানের ব্যবস্থাপনায় অন্যান্য পরিষদকে সহযোগিতা করবে।

ধারা-৩৫

                সকল নতুন সদস্য সাধারণ পরিষদের সদস্য হবে।

ধারা-৩৬

সাধারণ পরিষদের সদস্যরা নিম্নোক্ত গুণাবলির অধিকারী হবেন তারা হবেন ব্যক্তিত্ববান, দৃঢ়চিত্ত, আত্মপ্রত্যয়ী, স্বাধীনচেতা, জ্ঞানপিপাসু, সাহিত্য ও সংস্কৃতির ধারক ও বাহক,  দেশের জন্য কাজ করবেন, সাহিত্যের চর্চা করবেন, মুক্ত বুদ্ধির ও বাংলা ভাষার চর্চা করবেন, আধুনিক সাহিত্যের সঙ্গে চলবেন ও বিশ্বসাহিত্যের মূল প্রবণতাগুলো ধারণের চেষ্টা করবেন, অপ্রাতিষ্ঠানিক ও নির্মোহ চিন্তাচেতনার অধিকারী হবেন ও সর্বাধিক ত্যাগের মানসিকতা সম্পন্ন হবেন।

ধারা-৩৭

মাসে একবার সাধারণ পরিষদের সাধারণ বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। তবে চিহ্নপ্রধান প্রয়োজন মনে করলে একাধিক বৈঠক আহ্বান করতে পারবেন।

ষষ্ঠ অনুচ্ছেদ

সম্পাদনা পরিষদ

ধারা-৩৮

                নিম্নোক্ত পদগুলো পূরণ সাপেক্ষে পত্রিকা সম্পাদনা পরিষদ গঠন করা হবে

সম্পাদক- চিহ্নপ্রধান

১. সহযোগী সম্পাদক

২. সহযোগী সম্পাদক

৩. সহযোগী সম্পাদক

৪. সহযোগী সম্পাদক

ধারা-৩৯

চিহ্নপ্রধান পদাধিকার বলে ‘সম্পাদক’ পদ অলংকৃত করবেন। তার ইচ্ছাতেই সহযোগী সম্পাদক নির্বাচিত হবেন। প্রতি সংখ্যার জন্য সহযোগী সম্পাদক নতুন করে মনোনয়ন দেওয়া হবে। সেক্ষেত্রে কার্যনির্বাহী পরিষদ ব্যক্তির একাগ্রচিত্ততা, কর্মদক্ষতা, সাহিত্যবোধ, পত্রিকা সম্পর্কিত অভিজ্ঞতা বিভিন্ন দিক বিবেচনা করে সহযোগী সম্পাদক পদের জন্য সুপারিশ করবে।

ধারা-৪০

চিহ্নপ্রধানের তত্ত্বাবধানে সকল সদস্য সম্পাদনা পরিষদকে সহযোগিতা করবে এবং পত্রিকার মানোন্নয়নের জন্য সর্বাধিক প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখবে। চিহ্নপ্রধানের তত্ত্বাবধানে সকল সদস্যের প্রথম ও প্রধান কাজ হল সাহিত্য পত্রিকা চিহ্ন প্রকাশ। সাহিত্য পত্রিকা চিহ্নকেই এই সংগঠনের দর্পণ বিবেচনা করা হবে।

ধারা-৪১

চিহ্ন পত্রিকায় লেখার গুণগত মান অগ্রাধিকার পাবে। লেখা সংগ্রহ বাছাই ও প্রকাশের ক্ষেত্রে সম্পাদনা পরিষদের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত বলে গণ্য হবে।

ধারা-৪২

চিহ্নপ্রধান সম্পাদনা পরিষদের যেকোন পদের রদবদল ও যেকোন পদ রহিতকরণ ও প্রয়োজনে যেকোন পদ সৃষ্টি করতে পারেন। সম্পাদনা পরিষদের যেকোন সদস্যকে বহিষ্কার করে নতুন সদস্যও মনোনীত করতে পারেন।

পরিপূরক সম্পাদনা

ধারা-৪৩

(ক)

চিহ্নর পরিপূরক হিসেবে কোন সদস্য/সদস্যগণ যদি ছোট আকৃতির কোন পত্রিকা প্রকাশ করতে চান তাহলে চিহ্নপ্রধান ও সম্পাদনা পরিষদ তাতে বাধা প্রদান করবেন না বরং সহযোগিতা করবেন।

 (খ)

চিহ্নপরিবারের সর্বক্ষণ সদস্যগণ চিহ্নপত্রিকা এবং ‘চিহ্নপরিপূরক ভিন্ন মুখপত্র স্নান’ ছাড়া অন্য কোন সাহিত্যপত্রিকার প্রকাশনার সাথে যুক্ত হতে কিংবা সম্পাদনা করতে পারবেন না। কিন্তু পুরাতন সদস্যগণের মধ্যে যাঁরা কর্মসূত্রে চিহ্নর দাপ্তরিক শহরের বাইরে থাকেন, ফলে প্রত্যক্ষভাবে চিহ্নপ্রকাশনার সাথে যুক্ত হতে পারেন না, তাঁরা তাঁদের চর্চা অব্যাহত রাখার স্বার্থে এবং চিহ্নদর্শনের বিস্তৃতির প্রয়োজনে শিল্প সাহিত্য সংস্কৃতি বিষয়ক যেকোন পত্রিকা প্রকাশ করতে পারবেন। সেক্ষেত্রে চিহ্নপ্রধানের পূর্বানুমতি নিতে হবে এবং প্রকাশিত পত্রিকায় চিহ্নর লোগোসহ চিহ্নপ্রাণনা কথাটি যুক্ত করতে হবে।

সপ্তম অনুচ্ছেদ

প্রকাশনা পরিষদ

ধারা-৪৪

                নিম্নোক্ত পদগুলো পূরণ সাপেক্ষে প্রকাশনা পরিষদ গঠন করা হবে

চিহ্নপ্রধান

নির্বাহী সম্পাদক

১. সদস্য  (সাবেক চিহ্ন সম্পাদনা সহযোগী)

২. সদস্য  (সাবেক চিহ্ন সম্পাদনা সহযোগী)

৩. সদস্য  (স্নাতক পাশ বর্তমান চিহ্ন সদস্য)

৪. সদস্য  (স্নাতক পাশ বর্তমান চিহ্ন সদস্য)

৫. সদস্য  (স্নাতক পাশ বর্তমান চিহ্ন সদস্য)

ধারা-৪৫

                ৪৪ ধারার পদগুলো নির্বাচনের সময় বিগত সময়ে চিহ্ন সম্পাদনা-সহযোগীর প্রাধান্য থাকলেও চিহ্নপ্রধান নিজ পছন্দ অনুযায়ী সেগুলো পূরণ করতে পারবেন।

ধারা-৪৬

নিম্নোক্ত উপধারার ভিত্তিতে ‘চিহ্ন প্রকাশনা’ পরিচালিত হবে

ক.          চিহ্ন পত্রিকার পাশাপাশি চিহ্ন প্রকাশনার সার্বক্ষণিক যোগাযোগ কেন্দ্র ১৩০,

    শহীদুল্লাহ কলাভবন, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়, রাজশাহী-৬২০৫

খ.           চিহ্ন প্রকাশনা’র সার্বিক দায়-দায়িত্ব চিহ্নপ্রধানের

গ.           প্রকাশনার ক্ষেত্রে পা-ুলিপির মান যাচাইপূর্বক (রিভিউ পদ্ধতি) সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে

ঘ.           চিহ্ন’র প্রত্যক্ষ কর্মী/সদস্যগণ পা-ুলিপির মান যাচাই সাপেক্ষে অগ্রাধিকার পাবে

                দ্বিতীয় অগ্রাধিকার চিহ্ন সংশ্লিষ্টজন ও তৃতীয় অগ্রাধিকার পাবে বহিরাগতজন

ঙ.           গ্রন্থ প্রকাশের ক্ষেত্রে প্রকাশের ব্যয়ভার গ্রন্থকারকে বহন করতে হবে। সেক্ষেত্রে

                প্রকাশের সংখ্যানুযায়ী পুঙ্খানুপুঙ্খ স্বচ্ছ হিসাব প্রদান করা হবে।

চ.            প্রকাশিত গ্রন্থের ২৫ ভাগ চিহ্নপ্রকাশনা সংরক্ষণ করবে, যা প্রচারের কাজে ব্যবহার হবে।

ছ.           গ্রন্থটি প্রকাশের সময় আইএসবিএন নম্বর সংগ্রহ, প্রেসের কাজ, প্রুফ সংশোধন, গেটআপ, মেকআপ প্রভৃতি কাজের জন্য সম্পাদনা পরিষদ কর্তৃক নির্ধারিত অর্থ গ্রন্থকার পরিশোধ করবে। এই নিয়ম চিহ্ন সংশ্লিষ্টজন ও বহিরাগতদের জন্য প্রযোজ্য। এই নিয়ম চিহ্ন সদস্যদের ক্ষেত্রে শিথিল করে তারা শুধু প্রোডাকশন খরচ বহন করবে।

জ.          গ্রন্থপ্রকাশের কমপক্ষে দুই (০২) মাস আগে পা-ুলিপি পাঠাতে হবে।

ঝ.           মনোনীত হলে পা-ুলিপি মনোনীত হওয়ার ৩ মাসের মধ্যে বই প্রকাশিত হবে।

ঞ. গ্রন্থরচয়িতার সম্পর্কসূত্রে অথবা চিহ্নপ্রকাশনার মাধ্যমে গ্রন্থটির পরিবেশক নিয়োগ করা

                হবে।

ট.            প্রকাশনা থেকে প্রাপ্ত অর্থ চিহ্ন পত্রিকা প্রকাশের জন্য ব্যয় করা হবে।

ঠ.            সর্বময় ক্ষমতা চিহ্নপ্রধানের হাতে ন্যস্ত থাকবে।

ড.           প্রকাশনার সমস্ত ব্যয়ভার পা-ুলিপি মনোনীত হওয়ার সাথে সাথেই পরিশোধ করতে হবে।

ধারা-৪৭

বই প্রকাশের ক্ষেত্রে সংখ্যাগরিষ্ঠ প্রকাশনা পরিষদের সদস্যের সুপারিশ লাগবে। প্রবিধানের ৪৬ নং ধারা অনুযায়ী প্রকাশনা পরিষদ চলবে।

 ধারা-৪৮

প্রকাশনা পরিষদের মেয়াদকাল তিন (০৩) বছর। তবে প্রকাশনা পরিষদে বিশৃঙ্খল পরিস্থিতির সৃষ্টি হলে চিহ্নপ্রধান তা এক (০১) বছরে কমিয়ে আনতে পারেন।

ধারা-৪৯

বছরে দুইবার প্রকাশনা পরিষদ সাধারণ বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। তবে চিহ্নপ্রধান প্রয়োজন মনে করলে বৈঠক সংখ্যার হ্রাস-বৃদ্ধি করতে পারবেন।

অষ্টম অনুচ্ছেদ

পদচ্যুতি

ধারা-৫০

যদি কার্যনির্বাহী পরিষদের অধিকাংশ সদস্য চিহ্নপ্রধানের প্রতি অনাস্থা প্রস্তাব পাশ করেন তাহলে এক মাসের মধ্যে তা সাধারণ পরিষদে জানাতে হবে। সাধারণ পরিষদের অধিকাংশ সদস্য অনাস্থা প্রস্তাবের পক্ষে ভোট দিলে চিহ্নপ্রধান পদচ্যুত হবেন। আর অধিকাংশ সদস্য অনাস্থা প্রস্তাবের বিপক্ষে ভোট দিলে কার্যনির্বাহী পরিষদ পদচ্যুত হবে। তখন নিয়ম অনুযায়ী নতুন পরিষদ গঠন করা হবে।

ধারা-৫১

সাধারণ পরিষদ থেকে চিহ্নপ্রধানের প্রতি অনাস্থা প্রস্তাব পেশ করতে হলে দুই তৃতীয়াংশ সদস্যের স্বাক্ষরসহ তা কার্যনির্বাহী পরিষদের নিকট পেশ করতে হবে। কার্যনির্বাহী পরিষদ একমাসের মধ্যে তা নিয়মিত বা বিশেষ বৈঠকে আলোচনার মাধ্যমে পাশ হলে সাধারণ পরিষদ সদস্যদের নিকট পেশ করবে। নব্বই ভাগ সদস্য অনাস্থা প্রস্তাবের পক্ষে রায় দিলে চিহ্নপ্রধান পদচ্যুত হবেন। আর অধিকাংশ সদস্য অনাস্থা প্রস্তাবের বিপক্ষে রায় দিলে কার্যনির্বাহী পরিষদ পদচ্যুত হবেন। তখন নিয়ম অনুযায়ী নতুন কার্যনির্বাহী পরিষদ গঠন করা হবে।

ধারা-৫২

যদি চিহ্নপ্রধান কার্যনির্বাহী পরিষদের কোন রদবদলের প্রয়োজন অনুভব করেন তাহলে তিনি সাধারণ পরিষদের সদস্যের মতামত নেবেন। যদি সাধারণ পরিষদের সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্য তার মতের পক্ষে রায় দেন তাহলে কার্যনির্বাহী পরিষদ অথবা ঐ সদস্য পদচ্যুত হবেন। কিন্তু কার্যনির্বাহী পরিষদের সমষ্টিগত পদচ্যুতির ক্ষেত্রে অধিকাংশ সদস্য চিহ্নপ্রধানের মতের বিরোধিতা করলে একমাসের মধ্যে কার্যনির্বাহী পরিষদের অধিবেশন আহ্বান করে চিহ্নপ্রধান অবশ্যই পদত্যাগপত্র দাখিল করবেন।

নবম অনুচ্ছেদ

প্রবিধান সংশোধন

ধারা-৫৩

এই প্রবিধানের কোন সংশোধনী সরাসরি সদস্যদের সম্মেলনে সমস্ত সদস্যদের অধিকাংশ সদস্যের ভোটে পাশ করা হবে। কিন্তু সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষেত্রে সদস্যদের দুই (০২) সপ্তাহ সময় দিতে হবে।

ধারা-৫৪

সংশোধিত প্রস্তাবিত কোন ধারা বা উপধারা বা ধারার কোন অংশের সংশোধনের জন্য গৃহীত সিদ্ধান্ত কার্যনির্বাহী পরিষদের অনুমোদনের জন্য পেশ করতে হবে। কার্যনির্বাহী পরিষদ একমাসের মধ্যে ফলাফল/সিদ্ধান্ত জানাবেন। কার্যনির্বাহী পরিষদে যদি প্রস্তাবিত সংশোধনী পাশ হয় তাহলে চিহ্নপ্রধানের একক সিদ্ধান্তের জন্য পাঠানো হবে। চিহ্নপ্রধান অনুমোদন না করলে কোন সংশোধনী পাশ হবে না।

দশম অনুচ্ছেদ

উপদেষ্টা  পরিষদ

ধারা-৫৫

                চিহ্নপ্রধানসহ নিম্নোক্ত পদগুলো পূরণ সাপেক্ষে চিহ্ন উপদেষ্টা পরিষদ গঠন করা হবে

                উপদেষ্টা-১

                উপদেষ্টা-২

                উপদেষ্টা-৩

                উপদেষ্টা-৪

ধারা-৫৬

চিহ্নর কার্যনির্বাহী পরিষদের সাধারণ সভায় উপস্থিত অধিকাংশ সদস্যের মতের উপর ভিত্তি করে উপদেষ্টা পরিষদ গঠন করা হবে। এক্ষেত্রে চিহ্নর পুরাতন কার্যনির্বাহী পরিষদের মতামতও গুরুত্ব পাবে।

ধারা-৫৭

উপদেষ্টাম-লীর সদস্য পদে মনোনয়ন দেয়ার ক্ষেত্রে অবশ্যই ব্যক্তিকে বাংলাদেশের নাগরিক এবং বাংলাদেশে বসবাস করতে হবে এবং তাঁর সাহিত্যানুরাগ থাকতে হবে এবং তাঁকে ফৌজদারী মামলায় সাজাপ্রাপ্ত হওয়া যাবে না।

ধারা-৫৮

উপদেষ্টা পরিষদের মেয়াদ হবে তিন (০৩) বছর। তিন বছর পর পুনরায় নতুন কার্যনির্বাহী পরিষদের সাধারণ সভায় নতুন উপদেষ্টা পরিষদ গঠন করতে হবে। উপদেষ্টা পরিষদের শৃঙ্খলা রক্ষার্থে পরিষদের মেয়াদ চিহ্নপ্রধান হ্রাস-বৃদ্ধি করতে পারবেন।

একাদশ অনুচ্ছেদ

বিবিধ

ধারা-৫৯

সংগঠনে সকল বিষয়/বিভাগের ছাত্ররা আসতে পারবে। সকল বিশ্ববিদ্যালয়ের বা তার বাইরের সকল ছাত্র-ছাত্রী, নবীন-প্রবীণ, সাহিত্যিক, বুদ্ধিজীবী, কবি, লেখকগণ লেখা পাঠাতে ও পত্র বিনিময় করতে পারবেন।

ধারা-৬০

                প্রতিবছর মার্চ মাস থেকে এই সংগঠনের সাংগঠনিক বছর শুরু হবে।

ধারা-৬১

কোন কারণে চিহ্নপ্রধান ও কার্যনির্বাহী পরিষদের মধ্যে মত পার্থক্য সৃষ্টি হলে সেই বিষয়ের ফলাফল সাধারণ পরিষদের সকল সদস্যের প্রত্যক্ষ ভোটে নির্ধারণ করা হবে।

ধারা-৬২

এই সংগঠনের কোন কর্মী/সদস্যের বা এর সাথে সংশ্লিষ্ট কোন ব্যক্তির সংগঠন বহির্ভূত ও বাইরের কোন কর্মকা-ের দায়িত্ব এই সংগঠন নেবে না।

ধারা-৬৩

বছরে কমপক্ষে দুই (০২) টি শিক্ষামূলক সেমিনার আয়োজন করতে হবে এবং অন্যান্য বিনোদনমূলক কর্মকা- ও শিক্ষা সফরের ব্যবস্থা করতে হবে।

ধারা-৬৪

বছরে দু’টি (০২) সেমিনারের কমপক্ষে একটি চিহ্ন সদস্যদের মধ্য থেকে উপস্থাপন করতে হবে যার মাধ্যমে  চিহ্ন সদস্য তার অর্জিত জ্ঞানের দৃষ্টান্ত স্থাপন করবে।

ধারা-৬৫

বিশেষ কৃতিত্বের জন্য চিহ্ন সম্মাননা প্রদান করবে চিহ্ন। সৃজনশীল, মননশীল এবং সাহিত্যের ছোটকাগজ এই তিন ক্যাটাগরিতে সম্মাননা দেয়া হবে।  এ ক্ষেত্রে প্রকাশনা পরিষদ ও কার্যনির্বাহী পরিষদ সম্মাননার সংখ্যা, ক্যাটাগরি ও ক্ষণ নির্ণয় করবে।

ধারা-৬৬

চিহ্ন তহবিল গঠিত হবে পুরাতন সদস্যদের চাঁদার ভিত্তিতে। প্রত্যেক পুরাতন সদস্য (কর্মজীবী) বার্ষিক ১০০০/-(এক হাজার টাকা) পত্রিকা প্রকাশ, প্রকাশনা ও আনুষঙ্গিক খাতে এককালীন প্রদান করবেন। প্রতিবছর ডিসেম্বর মাসের মধ্যে যে কোন সময় চিহ্ন সঞ্চয়ী নম্বরে তা জমা করতে হবে।

ধারা-৬৭

কার্যকরী পরিষদের বিবেচনায় অনুর্ধ্ব ২৫ বছর বয়সের অপ্রতিরোধ্য-সৃজনশীল তরুন লেখক ও সংগঠক চিহ্নবৃত্তি পেয়ে থাকেন। এর মূল্যমান ১০০০০ টাকা (প্রতি বছর), একজন বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থী টানা ৩ বছর এ অর্থ-সুবিধা পাবেন।

প্রথম সংশোধনী : ২৭. ০৩. ২০১৫

পরিপূরক সম্পাদনার উৎসাহের জন্য লোগোসহ চিহ্নপ্রাণনা শব্দটি ৪৩ ধারার (খ) উপধারায় সংযুক্তকরণ।

কার্যকর : ২৮. ০৩. ২০১৫

দ্বিতীয় সংশোধনী : ০৭. ১০. ২০১৬

ক. লক্ষ ও উদ্দেশ্য/ ধারা-৩-এর ০২ নম্বর উদ্দেশ্য ঈষৎ পরিমার্জন করে করা হয়েছে  ‘সাহিত্যের পঠন-পাঠন’।

খ. লক্ষ ও উদ্দেশ্য/ ধারা-৩-এর ০৪ নম্বর উদ্দেশ্য ঈষৎ পরিমার্জন করে করা হয়েছে  ‘ইতিহাস, ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির লালন’।

গ. কর্মসূচি/ ধারা-৪-এর ০৫ নম্বর কর্মসূচির ঈষৎ পরিমার্জন করে করা হয়েছে  ‘সাহিত্যপত্রিকা চিহ্ন প্রকাশ’।

ঘ. কর্মসূচি/ ধারা-৪-এর ০৮ নম্বর কর্মসূচির ঈষৎ পরিমার্জন করে করা হয়েছে  ‘মেলার আয়োজন করা’।

ঙ. ধারা ০৬ থেকে ধারা ১৬ এর মধ্যস্থিত সকল কর্মীপদ বাতিল।

চ. ধারা ৬০-এ ‘উপদেষ্টা পরিষদ’ নামে একটি অধ্যায় যুক্তকরণ।

ছ. ধারা-১৯এর কার্যনির্বাহী পরিষরে সদস্যের সংখ্যা ০২ জন বাড়িয়ে করা হয়েংছে ৯ জন

জ. ধারা-৩৮এর সম্পাদনা পরিষদের সহযোগী সম্পাদকের পদ বৃদ্ধি করে করা হয়েছে ০৪টি

ঝ ধারা-৪৪এর প্রকাশনা পরিষদের সদস্যের সংখ্যা ০১ থেকে উন্নিত করে করা হয়েংছে ০৪এ

কার্যকর : ০৮. ১০. ২০১৬

তৃতীয় সংশোধনী : ২৮. ০৩. ২০১৭

ক. প্রথম অনুচ্ছেদের ধারা-০৩-এর লক্ষ্য ৩ স্থাপন

খ. প্রথম অনুচ্ছেদের ধারা-০৪-এর কর্মসূচি ১৩ ও ১৩ স্থাপন

গ. দ্বিতীয় অনুচ্ছেদকে সদস্যপদ ও সদস্যপদ বাতিল উপঅনুচ্ছেদে ভাগ

ঘ. পুর্ব প্রবিধানের (দ্বিতীয় সংশোধনীর আগের) ধারা-১৩-কে দ্বিতীয় অনুচ্ছেদের ধারা-০৫-এর (ক)-তে পুনস্থাপন।

ঙ. তৃতীয় অনুচ্ছেদের ধারা-০৭-এর ক-তে চিহ্নপ্রধানের বয়স ন্যূনতম ৩২ থেকে ৩৫ বছরে উন্নীতকরণ

চ. ধারা-০৪ এর ১৪ উপধারা মোতাবেক একাদশ অনুচ্ছেদে চিহ্নবৃত্তি সংবলিত ধারা-৬৭ স্থাপন

ছ. উপদেষ্টা পরিষদ গঠনে ধারা ৬০-কে ভেঙে ধারা-৫৫ থেকে ৫৮ তে বিভাজন করে দশম  অনুচ্ছেদ সংযোজন

জ. প্রকাশনার লোগো পরিবর্তন করে পৃষ্ঠা-১এর লোগো এবং স্লোগান পরিবর্তন করে করা হয়েছে  চিত্তের প্রসারতা মস্তিস্কের মুক্তি

ঝ. প্রাবিধানিক, অনুচ্ছেদ ও উপঅনুচ্ছেদগত সঙ্গতি রেখে প্রবিধানের ধারার স্থান পরিবর্তন, ধারাকে উপধারায় স্থাপন বানান শুদ্ধিকরণ এবং বাক্যশুদ্ধিকরণ

কার্যকর : ১০. ০৭. ২০১৭

চতুর্থ সংশোধনী : ২৪. ০৭. ২০১৭

ক. ধারা-৪৪এর প্রকাশনা পরিষদের সদস্যের সংখ্যা ০১ জন বাড়িয়ে করা হয়েছে ০৫ জন

কার্যকর : ২৪. ০৭. ২০১৭