ধারাবাহিক রচনা– বিচিত্র সমাজতত্ত্ব সংগীতের সমাজতত্ত্ব

মিউজিকোলজি সীমা থেকে অসীমের প্রতি ধাবমান এক শাস্ত্রে পরিণত হয়েছে। পূর্বে বিখ্যাত কম্পোজার, তাঁদের সাধনা, হস্তলিপি থেকে বর্ণ, যৌনতা, জ্যাজ বা রকের উৎপত্তি ও সম্পৃক্ততা নিয়ে আজ ব্যস্ত হয়ে পড়েছে। সংগীতের পদ্ধতিগুলোর মধ্যে পাঠ্য-সমালোচনা, আনুষ্ঠানিক বিশ্লেষণ, প্যালিওগ্রাফি, বর্ণনার ইতিহাস বা আর্কাইভিভিত্তিক গবেষণা থেকে বর্তমানে ডিকনস্ট্রাকশন, উত্তর-উপনেবিশক বিশ্লেষণ; অবভাসতত্ত্ব ও পারফরম্যান্স পাঠের বিষয়গুলো চলে এসেছে। অর্থাৎ দার্শনিকতা, সমালোচনাতত্ত্বের বিতর্ক ও সাক্ষ্যপ্রমাণের নতুনতর পদ্ধতিতত্ত্বের হাওয়া মিউজিকোলজির সমগ্র পরিমণ্ডলকে প্রসারিত করেছে। নতুনভাবে সাংগীতিক টেক্সের ধারণা, নতুন বিশ্লেষণী কৌশল ও বিষয়ী-সম্পর্কিত নতুন ভাবনা-চিন্তা একত্রিত হচ্ছে।১ আর সংগীতের সমাজতত্ত্ব সমাজ পরিসরে সংগীতের উদ্ভব, বিকাশ ও প্রভাবের দিকটি গভীরভাবে জানতে চায়। সংগতি নিঃসন্দেহে হৃদয়গ্রাহী, সংহতি-শক্তির আধার। মানুষকে এবং মানুষের আন্তঃক্রিয়াকে বহুমুখী করতে প্রভাব রাখে। আবার সংগীতের আবহে মানুষ উন্মনা, স্থির ও আধ্যাত্মিক ভাবে নিমজ্জিত হয়।

রবীন্দ্রনাথ বলেছেন, সংগীত কথার চেয়ে বেশি অর্থপূর্ণ। কবে কখন সংগীত কি আকারে আবির্ভূত হয়েছে তা স্পষ্ট করে বলা মুশকিল। তবে মানুষের ভাষার আগে শব্দের বা ইংগিতের যে ব্যবহার শুরু হয়েছিল তাতেও সংগীত লুকিয়ে ছিল। আমরা যাকে বাজনা বলি সংগীতের এই অনিবার্য উপাদানটি পূর্ণাঙ্গ সংগীতের পূর্বসূরী বলা যায়। মানুষ যখন ভাষা শিখলো, অর্থময়তায় আবদ্ধ হলো, বাণীর সৃষ্টি হলো, তখন পূর্ব থেকে চর্চিত বাজনার তালে তালে সেই বাণী উচ্চারিত হতে থাকলো। এই উচ্চারণ ক্রমাগত পরিশীলিত হতে হতে সুসংবদ্ধ সুরের সৃষ্টি করলো। এর সাথে রাগ-তাল যুক্ত হয়ে সংগীতকে সর্বোৎকৃষ্ট একটি শিল্প হিসেবে মানবীয় সংস্কৃতির অঙ্গীভূত করলো বয়েমারের মতে ‘সোসিওলজি অব মিউজিক’ হলো: A discipline that examines the interrelations of music and society. Properly speaking it is neither musicology nor sociology, but may borrow from both, whatever tools and technique its requires to establish and implement the conceptual framework and methodology that is musicology, that is peculiar to itself.৮

সংগীতের সমাজতত্ত্ব দেখতে চায় সমাজের উৎসমুখগুলো কিভাবে সংগীত-সৃষ্টি, অনুশীলন ও সম্পাদনের ক্ষেত্রে ভূমিকা রাখে। যদিও ক্ষেত্র বিশেষে আত্মসুখ লাভের জন্য সংগীত সাধনা করা হয়ে থাকে, কিন্তু সে-সংগীতের বাণী অনেক ক্ষেত্রে সমাজসঞ্জাত। সংগীতের শ্রবণ, শিল্পী ও শ্রোতার মধ্যে এক ও বহুমাত্রিক সম্পর্ক গড়ে তোলে। এই সম্পর্ক যে একমুখী তা নয় শ্রোতা তার শ্রবণের প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করে ভাষায়, আচরণে, কখনো সমাজে কখনো শিল্পীর উদ্দেশ্যে। শ্রবণ একটি অনিঃশেষ ক্রিয়া; কোথায় কখন যে কি প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি করবে বলা কঠিন। তাছাড়া, অনেক ক্ষেত্রে সংগীত-সৃষ্টি ও সম্পাদন একটি দলীয় তথা সামাজিক ব্যাপার। শুরু থেকেই সংগীতের দলীয় অভিব্যক্তি-আয়োজন সংগীতের সামাজিকতাকেই প্রকাশ করে।

আমরা জানি সংগীতের ধরনগত পার্থক্য রয়েছে। দেশে দেশে সংগীত তার নিজস্ব মূর্তি নিয়ে আবির্ভূত হয়েছে। বিশেষত উচ্চাংগ সংগীত, আধুনিক সংগীত ও জনপ্রিয় সংগীতের ধারা যেনো অনেকটা সাধারণ। সংগীতের উৎপত্তি যে-জঙ্গলেই হোক, রাজদরবারে স্থান ও পৃষ্ঠপোষকতা পাবার গৌরব সে পেয়েছে। আবার গণমানুষের সংগীত হিসেবে ঈশ্বরবাদী, আধ্যাত্মবাদী, দেহতাত্ত্বিক, প্রভৃতি সংগীতের স্বসৃষ্ট জগত লক্ষ্য করা যায়। এদের শ্রোতাকেও আলাদা করা যায়। যদিও শ্রোতাদের স্থান পরিবর্তন হয়েছে, সময়ের সাথে সংশ্লিষ্টতার তারতম্য ঘটেছে, তবে একটি শ্রেণীচরিত্র পাওয়া যায়। অর্থাৎ শ্রেণীভিত্তিক সংগীত-শ্রোতাদের একটা বিভাজন লক্ষণীয়।৩ ব্ল্যাকস্টোন বলেন, The abstract, ethereal and fleeting nature of music has after been construed as a bridge, a mediator between the earthly and the heavenward. … I am talking of histories of sound that come down to us as whispers of which we are dimly aware: whether from ancient, mystical tradition or, from analysis that posit the act of listening as socially constructed or, turn the true in cultural studies that redefined listening as active act.

আজকের দিনে সংগীত অনেক স্থায়ী ও সহজলভ্য হয়েছে রেকডিং ও ইলেকট্রনিক-ব্যবস্থার সুযোগে। এতে করে সংগীত শুধু শিল্প হিসেবে বিস্তৃতি লাভ করেছে তাই নয়। পণ্য হিসেবেও বিবেচিত হয়েছে। এই পণ্য উৎপাদন প্রক্রিয়ায় যারা সংযুক্ত তাদের সংখ্যা অজস্র। এসব কারণে সংগীতের সমাজতত্ত্ব ক্রমশ গভীরতর হচ্ছে, তরান্বিত হচ্ছে, প্রতর্কের সৃষ্টি করেছে। সাধারণভাবে বলা যায়, সামাজিক ক্রিয়া হিসেবে সংগীতের সৃষ্টি ও শ্রবণ সততঃ মতৈক্যের ও পুনর্গঠনের বিষয়বস্তু রয়ে গেছে। শ্রোতার কাছে সংগীত স্বীকৃত হয় প্রথাগত ধারা ও অনুশীলনের ধরন ও নিয়মনীতির কারণে। সুতরাং অপ্রথাগত ও অসংগত সংগীতকে শ্রোতৃমন্ডলী প্রত্যাখ্যান করে। শ্রোতার এই প্রত্যাখ্যানের একটি বড় কারণ হলো প্রজন্ম পরম্পরায় এক ধরনের সংগীত চেতনার সাথে বসবাস করে আসছে। কোন সংগীত যখন তার অন্তর্নিহিত সংগীত-চেতনার সাথে মিলে না তখন তা পরিতাজ্য হতে পারে। তবে এখানে আরেকটি বিষয় চলে আসে তা হলো যারা কম সংগীত শুনেছে, বা যাদের মধ্যে সংগীতের ঐতিহ্য সৃষ্টি হতে পারেনি, তারা যা কিছু নতুন শুনবে তাকেই গ্রহণ করার প্রচেষ্টা চালাবে। দলগত হলে এটি আরো সহজেই লক্ষণীয় হয়। এখানে বলে রাখা ভালো যে, দলগত একাত্মতা দৃষ্টিগ্রাহ্য সংগীতের ক্ষেত্রে অত্যন্ত সহজ-অনুধাবনীয় একটি দিক। আমরা জনপ্রিয় সংগীত বা ভাব-সংগীতের ক্ষেত্রে এই দলগত শ্রবণ ও পরিবেশন লক্ষ্য করলেও অন্যান্য সংগীতের ক্ষেত্রেও এলাকা, দেশ এমনকি জাতিগত একাত্মতা আবিষ্কার করা সম্ভব। যেমন রবীন্দ্র সংগীতের শ্রোতামন্ডল অনেক বেশি একাত্ম ও সংগঠিত। আবার লালন-ভক্তদের একাত্মতা ও নিবিড় বন্ধন তাঁদের শ্রবণের একটি বিশেষ প্রলক্ষণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। শিক্ষিত ও স্বল্পশিক্ষিত এমনকি নিরক্ষর জনগণ সমানভাবে পল্লীগীতির পিপাসু।

ল্যাস্ক বলেন I attempt … to elucidate why sociological interpretation of music can become a reality only once the experimental verification procedures I call psycho-musicological are fully operative. On the basis of this things I propose three model of sociological inquiry into music, called the first, second and third sociological interpretation. While the first sociological interpretation concerns the cognitive basis of music making, the second refers to the developmental basis of musical functioning. The third sociological interpretation of music concerns the environmental conditions of music acquisition to the extent that they are determined by the sonic habitat in which humans live. ৪ তাঁর শেষ কথা হলো সিস্টেমেটিক মিউজিকোলজি একটি পরীক্ষামূলক বিজ্ঞান হতে পারে যা মনোসংগীততত্ত্ব, সমাজসংগীততত্ত্ব ও সংগীত বিশ্লেষণের তিনটি ধারাকে সম্মুন্নত রাখবে। এখানে একটি বিষয় লক্ষণীয় যে, ‘সংগীতের সমাজতত্ত্ব’ নয় বরং ‘সিস্টেমেটিক মিউজিকোলজি’ গুরুত্ব পেয়েছে।

সংগীতের সমাজতত্ত্ব এখনো সব মহলে গ্রহণযোগ্যতা পায়নি। এরকম সমস্যা অন্যান্য শাস্ত্রীয় শাখায়ও রয়েছে। এছাড়া সংগীতের মতো একটি বহুমুখী মানবীয় শাখার সমাজতাত্ত্বিক অনুধাবন এখনও ব্যাপক নয়। ক্যাডি (১৯৬৩) অনেক আগে বলেছিলেন The new area of emerging knowledge is still embryonic in the state of differentiation and organization|৫ তিনি শাস্ত্রীয় সংগীত, সংগীত থেরাপি, সংগীতের ইতিহাস, গণযোগাযোগ, সংগীত শিল্পীর পরিবেশন, সংগীত শিক্ষার প্রভৃতি বিষয়গুলোর উল্লেখ করেছেন যেগুলো সম্পর্কে গবেষণা ও আলোকপাত সমাজবিজ্ঞানের এই নতুন শাখাকে করতে হবে।

যদিও সমাজতত্ত্ব-অনুরাগী বিশ্লেষকরা সংগীতের মধ্যে ও বাইরে আন্তঃক্রিয়াশীল মানুষকে খুঁজেছেন, আলোচক-সমালোচক কিন্তু ‘সংগীতের সমাজতত্ত্ব’ বিষয়টিকে বাঁকাভাবেই দেখেছেন। যাহোক, অ্যাডোর্নোর একটি কথা আমাদের আস্থাকে সমুন্নত রাখার জন্য যথেষ্ট বলে মনে হয়। আর তা হলো: All music – even which in terms of struggle is the most highly individualistic is in disputably vested into a collective content: every single sound sage ‘we’৬ এই যৌথতার কথা আমরা ভুলে যাই বলেই সমাজ-উদ্ভূত বিষয়কে সমাজবিচ্যুত ভাবি। সমাজের বিমূর্ততা আমাদেরকে তার অস্তিত্বহীনতার কথা ভাবতে শেখায়। সংগীতের মধ্যে সমাজ-অনুসন্ধান সেকারণে দৃষ্টিকটু মনে হয়।

বলিং ‘দি সোসিওলজি অব মিউজিক’ (১৯৮৪) গ্রন্থের পর্যালোচনা করতে গিয়ে বলেছেন, Rather than a sociology of music, this is a sociological exposition of the social surrounds of music. The authors give general evidence that people involved in music are social beings: they organize, interact through institution, are affected by social changes and social prejudice, communicate with words, actions and convention of clothing, they associate musical style with classes, types and races of people. But the ideas are not structured, analysed or presented here in any consistent way৭

গ্রিন (১৯৯৭) পিটার মারটিনের গ্রন্থ (১৯৯৫) সমালোচনা করতে গিয়ে বলেন, People sometimes use the expression ‘the sociology of music’ when it might be more accurate to use ‘the social history’ or ‘the social context’ of music. the ‘logy’ bit of sociology – that which indicates a discipline of study – can seem to get lost. Even those theorists most traditionally and functionally identified as sociologists of music, such as Silberman, Adorno and Supicic, have tended to employ music in the service of broad, not musically sociological concerns; and as Peter Martin says, a recognized, coherent sociological perspective on music has yet to emerge. The most helpful aspect of their excellent book is precisely its insistence on identifying principles which are fundamentally sociological, and employing them with relation to music৮

অর্থাৎ অনেকের মূল্যায়নে এটি স্পষ্ট যে, সংগীতকে বিশ্লেষণ করার মতো সুসংবদ্ধ তাত্ত্বিক ও পদ্ধতিগত আয়োজন সমাজবিজ্ঞানের নেই। মারটিন সঠিকভাবেই বলেছেন যে, A key position of the book is that the task of sociologists of music is not to make judgment about the nature of music, about musical meaning or musical values, but rather to examine the processes by which music, its meanings and values come to be produced, accepted, maintained and contested by particular social groups in particular times and places.৯ যাহোক, পর্যালোচকদের অনেকে ‘সংগীতের সমাজতত্ত্বের’ তেমন অযৌক্তিকতা আবিষ্কার করতে সক্ষম হননি। বরং সার্বিকভাবে ‘সংগীতের সমাজতত্ত্বের’ মৌলিকত্ব ও গ্রাহ্যতা স্বীকৃত হয়েছে।

থিওডর অ্যাডোর্নোর Introduction to the Sociology of Music (ইংরেজি অনুবাদ) বেরুলো ১৯৭৬ সনে। ফ্রাঙ্কফুট স্কুলের এই বিখ্যাত সমাজবিজ্ঞানী প্রথম সংগীতের সমাজতত্ত্বকে দাঁড় করিয়েছেন বললে ভুল হবে না। সংগীতের সমাজ ঘনিষ্টতা বুঝতে ও তুলে ধরতেও তিনি ১৯৬১-৬২ সালে বারোটি বক্তৃতা দিয়েছিলেন। ফ্রাঙ্কফুট স্কুল ফর স্যোসাল রিসার্চের অফিসিয়াল জার্নালের শুরু-সংখ্যায় তাঁর প্রথম বক্তৃতাটি ছাপা হয় ’On the Social Situation of Music’ নামে। তারপর অনেক সময় কেটে গেলেও অ্যাডার্নোর সংগীত বিষয়ক অনুরাগ, সমাজতাত্ত্বিক বিশ্লেষণ ও একটি প্রধান তাত্ত্বিক ধারা এখনো অব্যাহত আছে। অ্যাডর্নো ১৯৬১-৬২ সময়-পরিসরে ইউনিভারসিটি অব ফ্র্যাঙ্কফুটে মিউজিক মোসিওলজির উপর অনেকগুলো বক্তৃতা দিয়েছিলেন। তারপর তাঁর এ বিষয়ে প্রকাশিত রচনাসমূহ তাকে বিশেষ স্থান প্রদান করে দিয়েছে।

কার্ল মার্কস, রবার্ট স্পেন্সার, জর্জ সিমেল, এমিল দুরখা, ম্যাক্স ওয়েবারসহ অনেক আদি সমাজবিজ্ঞানীদের সংগীতের সমাজতত্ত্ব বিষয়ে আলোচনা রয়েছে। সেগুলো পরবর্তী আলোচনায় আসবে। বলাবাহুল্য মার্কস শুধু দার্শনিক নন, পরিবর্তনের স্বপক্ষে উচ্চারিত কণ্ঠস্বর যা সামাজিক বিজ্ঞানীদের দারুণভাবে উৎসাহিত করেছে।১০

টীকা

১. Martha Feldman, ‘General Introduction To Critical Musicology’, Music and Marx: Ideas, Practice, Politics, New York: Routledge, 2002, vii.

২.            উদ্ধৃত, Anthony Seeger, 1985, “General Articles on Ethnomusicology and Related Discipline”, Ethnomusicology, 29:2, pp. 345-351.

৩              Lee Blackstone, Remixing the Music of the Spheres: Listening to the Relevance of an Ancient Doctrine for the Sociology of Music, International Review of the Aesthetics and Sociology of Music, 2011, 42:1, pp. 3-31.

  1. 4. Otto E Laske, 1997, “Verification and Sociological Interpretation in Musicology”, International Review of the Aesthetics and Sociology of Music, 8:2, pp. 211-236.
  2. 5. Cady, 1963:25.
  3. 6. Theodor Adorno, 1976, Introduction to the Sociology of Music, New York: Seabury.
  4. 7. Madelon Bolling, . Review of The Sociology of Music by Fablio Desilva; Anthony Blashi, David Dees, (Notre-Dame IN: University of Notre-Dame Press, 1984), Ethnomusicology, 30:2, 1986, pp. 348-349.
  5. 8. Lucy Green 1997, Review of Sounds and Society: Thames in the Sociology of Music by Peter Martin, Manchester University Press, Manchester, 1995), Popular Music, 16:21, pp. 229-231.

৯.            প্রাগুক্ত।

১০.         যেমন Marx’s analyses of the commodity and of modes of producing form a crucial basis of much recent critical theory, yet music scholars who have increasingly taken an interact in that theory as a means of exploring the cultural role of music have worked with Mark’s ideas primarily in derivative form দেখুন: R.B. Qureshi, 2002, Introduction to R.B. Qureshi (ed), Music and Marx,, প্রাগুক্ত।


Warning: count(): Parameter must be an array or an object that implements Countable in /home/chinnofo/public_html/wp-includes/class-wp-comment-query.php on line 399
আলোচনা